ভর্তি করাতে/
কিছু জানতে

🎓 ঢাবি বৃত্তিপ্রাপ্তের ব্যাচ

ক্লাস ৬, ৭, ৮ | মোহাম্মদপুর, ঢাকা

গতানুগতিক কোচিং নয় — ঢাবি বৃত্তিপ্রাপ্তের প্রাইভেট ব্যাচ

⚠️ আপনার সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে Experiment করার সময় নেই!

৬ লক্ষ ৬৬০
ছাত্র-ছাত্রী ফেল করেছে গত বছর এসএসসিতে
৩১.৫৫%
ফেলের হার — প্রতি ৩ জনে ১ জন ফেল!
মাত্র ৭%
GPA 5 পেয়েছে — ৯৩ জন A+ এর চেহারাও দেখেনি!

আপনার সন্তান সেই ৯৩ জনের মধ্যে থাকবে এটা তো খুব স্বাভাবিক বিষয় — যদি আপনি সিরিয়াস না হন।

এখন আপনি ভাবতে পারেন যে, "আরে ক্লাস ৬/৭/৮, এখনও তো অনেক সময় আছে!"

আরেকটা সিরিয়াস কথা শুনেন:

এখন চলছে জানুয়ারি মাস = স্কুলের খেলাধুলার প্রোগ্রাম হবে
ফেব্রুয়ারি মাস = ভোট/নির্বাচন
মার্চ মাস = রমজান

এরই মাঝে হুট করে সিটি পরীক্ষা দিয়ে দিবে কিন্তু সে কিছুই পারবে না, কয়েকটা সাব্জেক্টে মারবে ফেল।

নতুন ক্লাসের পড়া তার কাছে কঠিন লাগছে। বেসিক দুর্বল থাকায় নতুন চ্যাপ্টার আরও বেশি কঠিন মনে হয়।

তারপর ছাত্রের বুঝে উঠতে না উঠতেই হুট করে রমজানের পর হয়তো প্রি-টেস্ট পরীক্ষা দিয়ে দিবে।

সে কিছু বুঝে উঠতে না উঠতেই তার এত সময় পার হয়ে যাবে যে, সে মনে মনে ভিতরে ভিতরে আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলবে যে, সে ভালো কোনো রেজাল্ট করতে পারবে।

আর একবার তার বিশ্বাস ভেঙে গেলে, আমি কে, আর আপনি কে, কেউই তাকে আর পড়াশোনায় তেমন মনোযোগী করতে পারবে না।

ফলে তার অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা খারাপ হবে এবং ভবিষ্যৎ হবে অন্ধকার।

সন্তান আপনার, ভাববেন আপনি, আমি কেন এগুলো আপনাকে মনে করাবো, কিছু মনে করবেন না। সন্তান নিয়ে কি আপনার টেনশন নাই?

আমি প্রাইভেট ব্যাচ পড়াই, আমি পড়ালে টাকা পাই। আমি নিজের টাকার জন্য এত ভাবতে পারি, ভেবে আপনাকে মনে করাতে পারি, তাহলে আপনি নিজের সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য কেন এগুলো ভাবেন নাই?

যাই হোক, আপনি যদি নিজের সন্তানের ভবিষ্যৎ/রেজাল্ট এরকম মারাত্মক হওয়া থেকে বাঁচাতে চান...

তাহলে এখন আমি যা বলছি তা মনোযোগ দিয়ে পড়ুন ⬇️

💭 "তার তো SSC/JSC পরীক্ষা হতে অনেক দেরি। এখন থেকে কি সিরিয়াস হবো??"

উত্তর: আপনি তাহলে বোকামি করছেন!

চলেন আপনাকে একটা real ঘটনা বলি।

আমি সৌমিক নামক রেসিডেনসিয়ালের এক ছেলেকে পড়াইতাম। তার বাবা তার হাতে বাল্যকালেই ডিকশনারি দিয়ে প্রতিদিন ৫/১০টা শব্দার্থ মুখস্থ করতে দিতেন। সম্ভবত ক্লাস ৩ থেকে।

এখন একটু ভাবেন:

প্রতিদিন ৫টা করে পড়লেও:

ক্লাস ৩ থেকে ক্লাস ৬ পর্যন্ত = প্রায় ৩ বছর

১,০৯৫ দিন × ৫টা শব্দার্থ = ৫,৪৭৫টা শব্দার্থ

সে যদি অলসতার কারণে মাঝে মধ্যে নাও পড়ে থাকে, তারপরও তো ৩,০০০ শব্দার্থ আশা করি সে রিভিশন দিয়ে নিয়েছে।

এখন আপনি বলেন, আপনি কি এই কাজ করেছেন??

যদি উত্তর আসে "না", তাহলে তো আপনি এমনিতেই নিজের সন্তানকে পিছিয়ে রেখেছেন।

তার মধ্যে এখন ভাবছেন যে, "এসএসসি/জেএসসি তো অনেক দেরি"। এভাবে তাকে আরও পিছিয়ে দিবেন।

মনে রাখবেন, ভবিষ্যতে career গড়ার সময় প্রতিযোগী হিসেবে কিন্তু সৌমিকের মত ছাত্ররাই আপনার সন্তানের বিরুদ্ধে আসবে।

আমি আপনার সন্তানকে কোনো প্রেসার দিতে বলছি না।
কিন্তু আপনি এখনো কি অবহেলা করবেন😢😢?

✅ সুসংবাদ: এখনও দেরি হয়নি!

আমরা আপনার সন্তানের Gap পূরণ করে তাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি।
কিন্তু শুরু করতে হবে আজই — এখনই!

⚠️ মনে রাখবেন, এটা গতানুগতিক কোনো কোচিং সেন্টার না।
এটা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বৃত্তি পাওয়া ছাত্রের প্রাইভেট ব্যাচ। 🎓

⚠️ মনে রাখবেন, এটা গতানুগতিক কোনো কোচিং সেন্টার না।
এটা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বৃত্তি পাওয়া ছাত্রের প্রাইভেট ব্যাচ। 🎓

আপনার সন্তানের কি এই সমস্যাগুলো আছে?

যদি এই ৬টির মধ্যে ১টিও থাকে, তাহলে এখনই পদক্ষেপ নিতে হবে

😰 সমস্যা-১: বিগত কয়েক বছরের পড়াশোনার ভয়াবহ ঘাটতি

বিগত বছরগুলোতে এমন অনেক কিছুই ঘটেছে যা আপনার সন্তানের পড়ার বেসিক নষ্ট করে দিয়েছে:

📍 করোনার প্রভাব (২০২০-২০২১):

  • পড়াশোনা পুরোপুরি বন্ধ ছিল
  • বেসিক গড়ার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় নষ্ট হয়েছে
  • পড়ার ভিত্তি তৈরির সুযোগই পায়নি

📍 পড়ার অভ্যাস হারিয়ে গেছে:

  • অনেকদিন না পড়ার কারণে, পড়ার অভ্যাস নেই
  • লম্বা সময় পড়তে পারে না — মনোযোগ থাকে না
  • পড়াশোনার তেমন চাপ না থাকায়, সন্তান পড়েওনি

📍 নতুন কারিকুলামের বিভ্রান্তি:

  • এসাইনমেন্ট, ছক পূরণ, গ্রুপ ওয়ার্ক, রান্নাবান্না — এসবের নামে বেসিক গড়ার সময় নষ্ট
  • আসল শিক্ষার বদলে অপ্রয়োজনীয় কাজে সময় চলে গেছে
  • মূল বিষয়গুলো শেখার সুযোগ হয়নি

📍 জুলাই আন্দোলন ও পরিবর্তন:

  • আন্দোলনের কারণে আবারও পড়াশোনা ব্যাহত
  • হঠাৎ সিলেবাস চেঞ্জ, ফরম্যাট চেঞ্জ
  • নতুন নিয়মে খাপ খাওয়াতে না খাওয়াতেই ফাইনাল পরীক্ষা

📍 ২০২৫ সাল — এখনো ঘাটতি পূরণ হয়নি:

  • আগের ৩-৪ বছরের gap এখনো রয়ে গেছে
  • নতুন বোর্ড বই এপ্রিল মাসে এসেছে — অনেক দেরিতে
  • ঠিকমতো খাপ খাওয়ানোর আগেই অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা
  • বার্ষিক পরীক্ষাও শেষ, ২০২৬ সালও চলে এসেছে
  • কিন্তু সে হয়তো পড়ার কিছুই গুছিয়ে উঠতে পারেনি😢

ফলাফল: আপনার সন্তানের বেসিক দুর্বল। পড়ার অভ্যাস নেই। আত্মবিশ্বাস কম। এভাবে চললে ভবিষ্যতে বড় সমস্যা হবে।

😱 সমস্যা-২: গণিত দেখলেই ভয় — মাথায় ঢোকে না

"আম্মু, আমি চেষ্টা করি কিন্তু পারি না।"

এই কথা শুনে আপনার বুক ফেটে যায়, তাই না? আপনার মেধাবী সন্তান গণিত দেখলেই ভয় পায়। বীজগণিত, ত্রিকোণমিতি, জ্যামিতি — সব কঠিন লাগে।

আসল সমস্যা কী?

  • বেসিক ক্লিয়ার নেই — শিক্ষকরা সরাসরি চ্যাপ্টার শুরু করে দেয়, ভিত্তি তৈরি করে না
  • ত্রিকোণমিতি, জ্যামিতি — সব কঠিন লাগে কারণ বেসিক শেখানো হয়নি
  • ঘুরানো প্রশ্ন — পরীক্ষায় একটু ভিন্নভাবে আসলেই আটকে যায়

ফলে পরীক্ষায় ফেল বা খারাপ Marks। আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলছে। "আমি বোকা" মানসিকতা তৈরি হচ্ছে।

📝 সমস্যা-৩: বইয়ের অংক পারলেও পরীক্ষার Hall-এ ঘুরিয়ে দিলে আর পারে না

এটা আরও বিপজ্জনক! আপনার সন্তান বাসায় অংক করতে পারে। কিন্তু পরীক্ষায় একই অংক একটু ভিন্নভাবে আসলেই — সম্পূর্ণ blank!

  • বইয়ের অংক মুখস্থ করে ফেলেছে — বুঝেনি
  • শিক্ষক শুধু একভাবে শেখায় — ঘুরিয়ে দেখায় না
  • পরীক্ষায় নতুন ধরনের প্রশ্ন দেখে মাথা গরম হয়ে যায়
  • আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলে — বাকি প্রশ্নও ভুল হয়

এই কারণে অনেক "ভালো ছাত্র" পরীক্ষায় খারাপ করে। কারণ তারা শিখেছে না — মুখস্থ করেছে।

📚 সমস্যা-৪: ইংরেজি গ্রামারে অনেক দুর্বল

Right Form of Verb, Tag Question, Transformation — এসব দেখলেই মাথা ঘুরে যায়।

  • শত শত rules মুখস্থ করতে বলে — কিন্তু বুঝিয়ে দেয় না কীভাবে সহজে মনে রাখবে
  • গ্রামারে প্রচণ্ড ভয় — ইংরেজির বেসিক খারাপ বলে
  • পরীক্ষায় blank থেকে যায় — মুখস্থ ভুলে গেলে কিছুই লিখতে পারে না

ফলে ইংরেজিতে marks কম আসে। ভবিষ্যতেও ইংরেজি ভয় থেকে যায়। এমনকি চাকরিতেও সমস্যা হয়।

✍️ সমস্যা-৫: ইংরেজি নিজে থেকে বানিয়ে লিখতে পারে না

সবচেয়ে ভয়ংকর সমস্যা! আপনার সন্তান paragraph মুখস্থ করে লেখে। নিজে বানিয়ে এক লাইনও লিখতে পারে না।

  • সব টিচার শুধু গ্রামার পড়ায় — কিন্তু "কীভাবে লিখবে" শেখায় না
  • বাচ্চারা মুখস্থ করে — কিন্তু নতুন টপিক এলে ফাঁকা থাকে
  • কেউ step by step শেখায় না — idea থেকে sentence, sentence থেকে paragraph

ফলে পরীক্ষায় নতুন টপিক এলে ফাঁকা থেকে যায়। মুখস্থ করা paragraph দিয়ে কাজ হয় না।

🙊 সমস্যা-৬: সবার সামনে প্রশ্ন করতে লজ্জা পায় — না বুঝেই চুপ থাকে

এটা খুবই সিরিয়াস সমস্যা। আপনার সন্তান ক্লাসে কিছু বুঝছে না, কিন্তু প্রশ্ন করছে না।

  • ৪০-৫০ জনের ক্লাস — সবার সামনে প্রশ্ন করতে লজ্জা লাগে
  • "আমি বোকা" ভাববে অন্যরা — এই ভয়ে চুপ থাকে
  • শিক্ষক খেয়াল করে না — কে বুঝছে, কে বুঝছে না
  • পিছিয়ে পড়তে থাকে — দিন দিন gap বাড়ে

ফলে সারা বছর "আছে আছে" বলে চলে যায়। পরীক্ষার সময় বুঝতে পারে কিছুই শেখেনি।

আরও কিছু সমস্যা যা আপনি হয়তো টের পাচ্ছেন না:

পড়ার ধৈর্য নেই: লম্বা সময় পড়ার টেবিলে বসতে পারে না। ৩০ মিনিট পর মনোযোগ নষ্ট হয়ে যায়। Concentrate করতে পারে না। মোবাইল, গেম, YouTube-এ মন বেশি থাকে।
📉 প্রাইভেট/কোচিং/স্কুলে পড়েও কোনো উন্নতি নেই: ৬ মাস, ১ বছর ধরে প্রাইভেট পড়ছে কিন্তু রেজাল্টে কোনো পরিবর্তন নেই। শিক্ষক পড়ান কিন্তু বাচ্চা বুঝে না। টাকা খরচ হচ্ছে কিন্তু লাভ নেই। হতাশা বাড়ছে।
👥 স্কুলে ৪০/৫০ জনের ক্লাস: আজকাল বিভিন্ন কোচিং প্রতিষ্ঠান বেশি টাকা উপার্জন করার জন্য ২০/৩০ জন পর্যন্ত নিয়ে নেয়। এত বড় ব্যাচে শিক্ষক সবাইকে সমান গুরুত্ব দিতে পারেন না। দুর্বল ছাত্ররা পিছিয়ে পড়ে। ভিড়ে আপনার সন্তান হারিয়ে যায়।
🔄 একই ভুল বারবার করে: একবার ভুল করলো, শিখলো না। আবার পরেরবার একই ভুল। কোথায় ভুল হচ্ছে নিজেও বুঝতে পারে না। কেউ ধরিয়ে দেয় না। ভুলের pattern চিহ্নিত হয় না।
আপনি জানেন না আপনার সন্তান আসলে কতদূর এগিয়েছে: কোনো রিপোর্ট নেই, কোনো accountability নেই। শিক্ষক বলেন "ভালো আছে" কিন্তু পরীক্ষায় খারাপ রেজাল্ট। আসলে কী হচ্ছে জানার উপায় নেই। Progress track করার কোনো সিস্টেম নেই।
😔 "আমি বোকা, আমি পারব না" মানসিকতা: বারবার fail করার পর আত্মবিশ্বাস শূন্য হয়ে গেছে। "আমার দ্বারা হবে না" এই ধারণা মাথায় ঢুকে গেছে। চেষ্টা করার আগ্রহই হারিয়ে ফেলেছে। নিজেকে অন্যদের থেকে কম মনে করে।

💔 আপনার একটি ভুল সিদ্ধান্ত = আপনার সন্তানের জীবনে অন্ধকার

এখন যদি সঠিক পদক্ষেপ না নেন, তাহলে অর্ধবার্ষিক/বার্ষিক পরীক্ষায় ফেল বা খারাপ রেজাল্ট হওয়ার সম্ভাবনা প্রচণ্ড বেশি।

কারণ বিগত বছরগুলোর পড়াশোনার ঘাটতি মাত্র কয়েক মাসে পূরণ করা অসম্ভব — যদি না সঠিক শিক্ষক এবং সঠিক পদ্ধতি থাকে।

তাই এখন আমি আপনাকে দেখাচ্ছি প্রতিটা সমস্যার সমাধান ⬇️

🚀 উপরের সমস্যাগুলোর সমাধান পেতে এখনই নিজের সন্তানকে আমাদের প্রাইভেট ব্যাচে ভর্তি করুন!

⚠️ মনে রাখবেন — এটা গতানুগতিক কোনো কোচিং সেন্টার না।
এটা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বৃত্তি পাওয়া ছাত্রের প্রাইভেট ব্যাচ — ছোট্ট ১২ জনের ব্যাচ যার মধ্যে অলরেডি ৪ জন হয়ে গেছে

আর মাত্র ৮ জন — সিট শেষ হওয়ার আগে দ্রুত নিজের সন্তানকে ভর্তি করুন!

সন্তানকে ভর্তি করাতে/কিছু জানতে নিচের বাটনে টিপ দিয়ে WhatsApp করুন 👇

📱 এখনই WhatsApp করুন

আমরা কীভাবে এই সমস্যাগুলোর সমাধান করি?

প্রতিটি সমস্যার জন্য রয়েছে সুনির্দিষ্ট ও কার্যকর সমাধান

সমস্যা-১: বিগত কয়েক বছরের পড়াশোনার ঘাটতি

সমাধান: Foundation Recovery Program

বিগত বছরগুলোর Gap কীভাবে পূরণ করবো?

মাত্র ৩ সপ্তাহে আমরা আপনার সন্তানের পূর্ববর্তী সকল critical concepts recover করবো:

📅 Week 1: মৌলিক ধারণা সুদৃঢ়করণ

  • উদাহরণস্বরূপ: দশমিক সংখ্যা, ভগ্নাংশ — basic clear
  • সূচক ও লগারিদমের foundation
  • বীজগণিতের প্রাথমিক ধারণা
  • সরল সমীকরণ solve করা
  • যে topics-এ সবচেয়ে বেশি দুর্বল, সেগুলোতে বিশেষ focus

📅 Week 2: গুরুত্বপূর্ণ Concepts শক্তিশালীকরণ

  • উদাহরণস্বরূপ: বীজগণিত — মূল নিয়ম ও সূত্র
  • জ্যামিতি — কোণ, ত্রিভুজ, চতুর্ভুজের বেসিক
  • ত্রিকোণমিতির মৌলিক ধারণা
  • সেট ও সংখ্যা পদ্ধতির বেসিক
  • পূর্ববর্তী সকল গুরুত্বপূর্ণ topics revision

📅 Week 3: বর্তমান ক্লাসের জন্য প্রস্তুতি

  • পরীক্ষার Pattern বোঝা
  • Problem Solving Strategy শেখা
  • দ্রুত উত্তর লেখার কৌশল
  • বর্তমান সিলেবাসের সাথে পূর্ববর্তী knowledge connect করা

এই program-এর বিশেষত্ব:

  • শুধু Important Topics — সময় নষ্ট নেই
  • প্রতিদিন Practice Sheet
  • প্রতি সপ্তাহ শেষে Mini-test
  • যে Topic দুর্বল, সেটায় বেশি Focus
  • Student-এর বর্তমান level অনুযায়ী customized approach

⚡ Result: ৩ সপ্তাহ পর আপনার সন্তান মজবুত Foundation নিয়ে বর্তমান ক্লাসের পড়া সহজে বুঝতে পারবে এবং আত্মবিশ্বাস পাবে।

Foundation Recovery Program বেসিক পড়ানোর সাথে জড়িত, তাই আমি বেসিক কেমন পড়াই তা এক ছাত্রীর মুখে নিজে শুনুন:

"Apnr pora ek kothai best … Apni Full basic theke bujhan pora ei jnno apnr chara onno kothaw pora bujtey e pari nah 2019 e theke 2023 pjnto apnr kacce E porse Allahmdulilah SSC and HSC vlw e result korty parse apnr obodan onk"

— ছাত্রী, এসএসসি ও এইচএসসি ভালো রেজাল্ট

সমস্যা-২: গণিত দেখলেই ভয় পায়

সমাধান: Basic-First Approach

আমরা কোনো Chapter শুরুর আগেই সেই Chapter-এর সব Basic Concepts একদম পরিষ্কার করে দেই।

কেন এটা গুরুত্বপূর্ণ?

প্রশ্নের শব্দ ক্লিয়ার না থাকলে প্রশ্নই বুঝবে না। প্রশ্ন না বুঝলে উত্তর কীভাবে পারবে?

উদাহরণ দেখুন:

"একটি ৫০ মিটার উঁচু দালানের ছাদ থেকে ভূতলস্থ একটি বিন্দুর অবনতি কোণ ৩০°। ওই বিন্দুর দালান থেকে দূরত্ব কত?"

আপনার সন্তান পড়ছে এই প্রশ্ন। কিন্তু:

  • ভূতলস্থ বিন্দু মানে কী?
  • অবনতি কোণ আবার কী?
  • দূরত্ব বলতে কোন দূরত্ব — উল্লম্ব নাকি অনুভূমিক?

শব্দগুলোই clear না। তাহলে অংক করবে কীভাবে?

আমরা কী করি?

  • প্রতিটি Chapter শুরুর আগে একটি "Basic Masterclass" করি
  • সেই Chapter-এর সব Important শব্দ, Concept ভালো করে বুঝাই
  • পাদবিন্দু, ভূতলস্থ বিন্দু, উন্নতি কোণ, অবনতি কোণ, অতিভুজ, লম্ব, ভূমি — সব শব্দ clear করি

📥 প্রমাণ দেখুন:
"দূরত্ব ও উচ্চতা" chapter-এর জন্য আমার তৈরি Basic Sheet

📄 গণিত বেসিক শিট দেখুন

এতে কী লাভ?

  • যখন Basic Clear থাকে, তখন প্রশ্ন পড়েই বুঝে যায় কী চাওয়া হচ্ছে
  • অর্ধেক যুদ্ধ এখানেই জেতা
  • তারপর অংক করা সহজ হয়ে যায়

"Sir ar Kase Ami 2 bosor ar aktu besi porechi Ami onk kichu sikhte perechi Sir ar math onk Valo kore bujhai ar unar basic bujhano ta oshadharon Tar shate English to asei full basic diye sikhano"

— নাহিয়ান মোনতাসের, নটরডেম কলেজ

সমস্যা-৩: পরীক্ষায় ঘুরিয়ে দিলে পারে না

সমাধান: "ঘুরানো প্রশ্নের কালেকশন" শিট

এটাই আসল সমাধান!

আমি একটা বিশেষ শিট তৈরি করেছি যার নাম "ঘুরানো প্রশ্নের কালেকশন"। এই শিটে আমি দেখাই যে একটা প্রশ্নকে প্রায় ১০/১১ ভাবে ঘুরিয়ে পরীক্ষায় দিতে পারে।

এতে কী হয়?

  • ছাত্র-ছাত্রীরা সব রকম variation দেখে ফেলে
  • তাদের শিক্ষা খুব মজবুত হয়
  • পরীক্ষার Hall-এ কোনো প্রশ্ন দেখে আর ধরা খায় না
  • আত্মবিশ্বাস অনেক বেড়ে যায়

এটা অনেক মূল্যবান একটা শিট। কোনো কোচিং হয়ত এই ধরনের শিট দেয় না।

ঘুরানো প্রশ্নের কালেকশন শিটের নমুনা

↑ এই শিটের একটা ঝলক — দেখুন কীভাবে একটা প্রশ্নকে ১০+ ভাবে ঘুরিয়ে দেখানো হয়

⚡ Result: পরীক্ষায় যেভাবেই প্রশ্ন ঘুরিয়ে আসুক না কেন, আপনার সন্তান পারবে!

সমস্যা-৪: ইংরেজি গ্রামারে দুর্বল

সমাধান: ইংরেজি গ্রামার - আর ভয় নয়

গ্রামার মানে শত শত rules মুখস্থ? না! আমার কাছে গ্রামার মানে ১ পৃষ্ঠা!

কীভাবে সম্ভব?

আমি ইংরেজি শেখানোর জন্য এতটাই serious যে ২টি সম্পূর্ণ বই লিখেছি। একটা বেসিক ইংরেজির উপর, আরেকটা রাইটিং এর উপর। কিন্তু আসল জাদু হলো - আমি জটিল গ্রামার টপিকগুলোকে ১ পৃষ্ঠায় নিয়ে আসি।

Right Form of Verb - ৬৪+ rules নাকি ১ পৃষ্ঠা?

অন্য টিচাররা ৬৪+ rules মুখস্থ করতে বলে। আমি? মাত্র ১ পৃষ্ঠা! এই ১ পৃষ্ঠা দিয়েই Right Form of Verb এর ৯৫% সমস্যা solve হয়ে যায়।

📥 Right Form of Verb (১ পৃষ্ঠা)

Tag Question - আর মুখস্থ নয়

Tag Question এর জন্যও আমার একটা সহজ শিট আছে। বাচ্চারা এটা দেখে ৫ মিনিটে শিখে ফেলে।

📥 Tag Question Sheet

বেসিক ইংলিশ - পুরো বই ১ পৃষ্ঠায়!

শুনতে অবিশ্বাস্য লাগছে? কিন্তু সত্য। আমি পুরো বেসিক ইংলিশ বইয়ের সারমর্ম ১ পৃষ্ঠায় নিয়ে এসেছি।

📥 বেসিক ইংলিশ (১ পৃষ্ঠা)

আমার লেখা বই:

ইংরেজি শেখানোর প্রতি আমি কতটা dedicated তার প্রমাণ - আমি ২টি সম্পূর্ণ বই লিখেছি:

📖 বেসিক ইংলিশ বই 📖 ইংরেজি রাইটিং কোর্স

"স্যার ইংরেজি এত সহজ করে বুঝান যে গ্রামার আর কঠিন লাগে না। আমি ইংরেজিতে অনেক দুর্বল ছিলাম, এখন Alhamdulillah অনেক ভালো বুঝি।"

— রায়হান খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (পূর্বে ঢাকা কলেজ)

সমস্যা-৫: ইংরেজি নিজে থেকে লিখতে পারে না

সমাধান: ইংরেজি রাইটিং - মুখস্থ নয়, বুঝে লিখুন

এটাই সবচেয়ে বড় সমস্যা - এবং আমিই একমাত্র এটা শেখাই!

সত্য কথা:

আপনার সন্তান paragraph মুখস্থ করে লেখে। নিজে বানিয়ে লিখতে পারে না। কেন?

  • সব টিচার শুধু গ্রামার পড়ায় - কিন্তু "কীভাবে লিখবে" শেখায় না
  • বাচ্চারা মুখস্থ করে - কিন্তু নতুন টপিক এলে ফাঁকা থাকে
  • কেউ step by step শেখায় না - idea থেকে sentence, sentence থেকে paragraph

আমার পদ্ধতি আলাদা:

আমি পুরো একটা কোর্স বানিয়েছি "কীভাবে নিজে থেকে ইংরেজি লিখবে" এর উপর। এবং এর উপর একটা সম্পূর্ণ বই লিখেছি।

কীভাবে শেখাই?

  • Step 1: Topic দেখে কীভাবে idea বের করবে
  • Step 2: Idea থেকে কীভাবে sentence বানাবে
  • Step 3: Sentence গুলো কীভাবে connect করবে
  • Step 4: কীভাবে paragraph শেষ করবে

ফলাফল? আপনার সন্তান যেকোনো টপিকে নিজে থেকে লিখতে পারবে। মুখস্থ করতে হবে না!

📖 ইংরেজি রাইটিং কোর্স বই ডাউনলোড করুন

"আমি এই কোর্স এর মাধ্যমে নিজে থেকে ইংলিশ বানিয়ে লিখতে শিখে গেছি এবং লেখার সময় গ্রামার ঠিক রাখা খুবই easly শিখতে পেরেছি । আর এটা করতে গিয়ে আমার অনেকটা গ্রামারও শেখা হয়েগেছে । الحمد لله"

— মোহাম্মদ নাভিদ হোসাইন, মোহাম্মদপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র

সমস্যা-৬: লজ্জায় প্রশ্ন করে না

সমাধান: মাত্র ১২ জনের ছোট ব্যাচ

বড় ব্যাচে কী সমস্যা?

  • ৫০ জনের মধ্যে দুর্বল Student হারিয়ে যায়
  • শিক্ষক দেখতে পারেন না কে বুঝছে, কে বুঝছে না
  • লজ্জায় প্রশ্ন করতে পারে না
  • পিছিয়ে থাকলেও কেউ খেয়াল করে না

আমাদের ১২ জনের ব্যাচে:

  • প্রতিটা ছাত্রকে আলাদাভাবে দেখা সম্ভব — কে বুঝলো, কে বুঝলো না সব জানা সম্ভব
  • দুর্বল ছাত্রকে আলাদা সময় — প্রতিদিন ক্লাসের পর আমি হাতে ১৫/২০ মিনিট রাখি "দুর্বলদের আলাদা সাপোর্ট সেশন" নামে
  • প্রশ্ন করতে পারে — ছোট ব্যাচ, লজ্জা কম
  • Individual attention — প্রতিটা Student-এর Progress Track করা সম্ভব

এই কারণেই আমরা ১২ জনের বেশি নিই না। Quality Compromise করতে চাই না।

✅ সমাধান দেখলেন তো? এখন পদক্ষেপ নিন!

মনে রাখবেন — এটা গতানুগতিক কোনো কোচিং সেন্টার না।
এটা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বৃত্তি পাওয়া ছাত্রের প্রাইভেট ব্যাচ যেখানে আপনার সন্তান এই proven পদ্ধতি পাবে।

তাহলে আর দেরি নয় — মাত্র ৮টি সিট বাকি!

এখনই সন্তানকে ভর্তি করান — নিচের বাটনে টিপ দিয়ে WhatsApp করুন 👇

📱 এখনই WhatsApp করুন

কেন আমার কাছে পড়বেন?

আমার কাছে এমন ৬টা জিনিস আছে যেটা হয়তো বাংলাদেশের হাতে গোনা কিছু টিচারদের কাছে আছে

মো: সাজিদ আলী

মো: সাজিদ আলী

✓ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষক

✓ ৯+ বছরের অভিজ্ঞতা

✓ ৪টি পুস্তিকা + ২টি বইয়ের লেখক

🌟 ৬টি কারণ যা আমাকে আলাদা করে

১. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃত্তিপ্রাপ্ত

২. ছাত্র-ছাত্রীদের সাফল্য

৩. ৩টি ছোট্ট পুস্তিকা ও ২টি বইয়ের লেখক

৪. আমি যাঁদের কাছে শিখেছি

৫. ৯+ বছরের অভিজ্ঞতা

৬. বেসিক দিয়ে পড়ানো

⭐ ১. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃত্তিপ্রাপ্ত ⭐

একটা জিনিস বুঝুন:

১,৮৫,০০০+ কমার্স পরীক্ষার্থী ২০১৫ সালে এইচএসসি পরীক্ষা দিয়েছিল

⬇️

১,১৭২ জন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় C Unit-এ চান্স পেয়েছিল

⬇️

৩৪৬ জন বৃত্তি পেয়েছিল (আমি তাদের একজন)

এটা প্রশংসার জন্য না। বোঝানোর জন্যঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বৃত্তিপ্রাপ্ত টিচার কয়জন পাবেন?

📄 বৃত্তির তালিকায় আমার নাম দেখুন (পৃষ্ঠা ১৯-এ আমার নাম পাবেন)

🎓 ২. আমার ছাত্র-ছাত্রীদের সাফল্য

🌟 মোহাম্মদ সামির — ফেল থেকে পাস! (মাত্র ২ মাসে)

"আমি এসএসসিতে ফেল করার পর সম্পুর্নরুপে ভেংগে পড়ি তাই আবারও যে গনিতের পরিক্ষা দিব এতে আমার আর কোন মনোযোগ ছিল না এবং দেখতে দেখতে আবারও সেই এসএসসি পরীক্ষার সময় চলে আসে তখন আমি একমাত্র সাজিদ স্যারের কাছে শুধুমাত্র ২ মাস ক্লাস করে আলহামদুলিল্লাহ পাশ করি।"

⚡ এসএসসি: ফেল → পাস (মাত্র ২ মাসে!)

"আমি আমার পক্ষ থেকে বলব আমার জানামতে সাজিদ স্যার গনিতের জন্য পারফেক্ট একজন শিক্ষক।"

📱 সামিরের নিজস্ব WhatsApp মেসেজ দেখুন

তুষার আহমেদ

✓ মোহাম্মদপুর মডেল স্কুল থেকে এখন: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

নাহিয়ান মোনতাসের

"Sir ar Kase Ami 2 bosor ar aktu besi porechi... Sir ar math onk Valo kore bujhai ar unar basic bujhano ta oshadharon Tar shate English to asei full basic diye sikhano"

✓ প্রিপারেটরি বয়েজ স্কুল থেকে পরবর্তীতে নটরডেম কলেজ
✓ গণিত ও ইংরেজিতে দক্ষতা অর্জন

রায়হান খান

"আপনার পড়ার মধ্যে নতুনত্ব পেয়েছি। বিশেষত ইংরেজি গ্রামার আপনার কাছে বুঝে পানির মতই লাগতো। গ্রামার মানেই সবাই বুঝে শত শত রুলস মুখস্থ করা, কিন্তু আপনি যেভাবে পড়াইতেন তাতে রুলস মুখস্থ ছাড়াও গ্রামার এর এসেন্স টা বুঝতে পারতাম।"

✓ ঢাকা কলেজ থেকে → ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
✓ ইংরেজি গ্রামারে বিশেষ দক্ষতা
✓ এখন নিজেই শেখায়

রাফিয়া শেখ

✓ কিশলয় বালিকা বিদ্যালয় নামক সাধারণ স্কুল থেকে পড়ে এসএসসি ও এইচএসসি তে A+

আরও অনেক সাফল্য আছে কিন্তু স্থান সংকুলানের কারণে লিখলাম না

📚 ৩. ৪টি ছোট্ট পুস্তিকা ও ২টি বইয়ের লেখক

আমি শুধু পড়াই না — পুরো ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য বইও লিখেছি। ৫টা ইংরেজির উপর ( বেসিক ইংলিশ + ইংলিশ নিজে থেকে বানিয়ে লেখা+ বাচ্চাদের শব্দার্থ + বড়দের ইংলিশ Gamebook+ Root Vocabulary) এবং ১টি অ্যাকাউন্টিং এর উপর (মাত্র ৩-ধাপে আর্থিক বিবরণী) এবং গণিতের উপর কাজ শুরু করার পর কোচিং এর ব্যস্ততার কারণে এখন আর শেষ করা হয় নি।

এবং বড় ২টি বই হলো:

১) ইংলিশ শব্দার্থ শেখার জন্য "English Gamebook"

২) হিসাববিজ্ঞানের আর্থিক বিবরণী শিখার জন্য "মাত্র ৩ ধাপে দুর্বলদের আর্থিক বিবরণী"

📝 দ্রষ্টব্য: এই পুস্তিকাগুলো ছোট। বড় বইয়ের লিংক এখানে দেওয়া সম্ভব না কারণ পিডিএফ ভার্সন ইন্টারনেট ছড়িয়ে গেলে বই বিক্রি হবে না। অফিসে আসলে হয়তো সরাসরি বইগুলো দেখতে পারবেন।

কয়েকটি পুস্তিকা দেখতে টিপ দিন:

📖 বেসিক ইংলিশ পুস্তিকা 📖 ইংরেজি রাইটিং কোর্স পুস্তিকা 📖 ক্লাস 5 বোর্ড বইয়ের শব্দার্থ

🎯 ৪. আমি যাঁদের কাছে পড়েছি

আমার শিক্ষকরা দেশসেরা। তাদের কাছ থেকে শিখেছি বলেই আজ আমি এত ভালো পড়াতে পারি:

আদিব হোসেন স্যার — ২০০৬ সালে ঢাকা বোর্ডে ২য় স্থান অধিকারী

মোহাম্মদ ফয়সাল স্যার — ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের admission test এর জন্য বিখ্যাত accounting বই "হিসাব বিচিত্রা" বইয়ের লেখক

আব্দুল আজিজ স্যার — সারা বাংলাদেশে পরিসংখ্যানের উপর সবচেয়ে বেশি বিক্রয় হওয়া বইয়ের লেখক

মোজাম্মেল হক মারুফ স্যার — Master Grammar, Master Paper সহ আরও ১৪টা বইয়ের লেখক

বেল্লাল হোসেন (মানিক) স্যার — ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা এবং University of Mexico থেকে intern করে আমেরিকার Dallas, Texas শহরের Deloitte কোম্পানিতে Senior Consultant হিসেবে কর্মরত

এই মানের শিক্ষকদের কাছে Training পাওয়া — এটাই আমাকে আলাদা করে।

⏳ ৫. ৯+ বছরের অভিজ্ঞতা

২০১৬ সাল থেকে পড়াচ্ছি। প্রায় ৯ বছর পার করে দিলাম পড়ানোর মধ্যেই। ইউনিভার্সিটিতে ঢুকার আগে থেকেই পড়াইতাম, ইউনিভার্সিটি চলাকালীন পড়াইলাম, ইউনিভার্সিটির পরেও পড়াচ্ছি😊। পড়ানো অনেকের জন্য আসলে নেশা, যদিও আমার জন্য এখনো সেরকম নেশা হয়ে উঠে নাই😢।

৯ বছরে শত শত ছাত্র-ছাত্রী পড়িয়েছি। তাদের সাফল্যই আমার আসল পরিচয়।

📖 ৬. বেসিক দিয়ে পড়ানো

বেসিক যে কেমন পড়াই, তা তো আপনি আগেই দেখে নিয়েছেন উপরে আমার ছাত্র-ছাত্রীদের রিভিউতে। Foundation Recovery Program থেকে শুরু করে প্রতিটা chapter-এ বেসিক ক্লিয়ার করা আমার পদ্ধতির মূল ভিত্তি।

প্রতিটি topic শুরুর আগে বেসিক মাস্টারক্লাস → এটাই আমার সিগনেচার স্টাইল!

🎥 আমার পড়ানোর স্টাইল দেখুন

ভিডিওতে দেখুন আমি কীভাবে পড়াই এবং ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে কেমন interact করি

ভিডিও না দেখা গেলে এখানে ক্লিক করুন

মাসিক বেতন কাঠামো

আপনার সন্তানের জন্য সঠিক প্যাকেজ বেছে নিন

সীমিত সময়!

⚡ ভর্তি ফি - বিশেষ ছাড়!

সাধারণ ভর্তি ফি: ৩,০০০ টাকা

🎁 মাত্র ১,২০০ টাকা

জানুয়ারি ১০ এর মধ্যে ভর্তি হলে

💰 সাশ্রয়: ১,৮০০ টাকা!

⏰ অফার শেষ হওয়ার আগেই ভর্তি হয়ে যান!

📐 যেকোনো ১টি বিষয়

(গণিত / ইংরেজি ১ম পত্র / ইংরেজি ২য় পত্র)

৩,০০০ টাকা/মাস
সাশ্রয়ী

📚 যেকোনো ২টি বিষয়

(গণিত + ইংরেজি ১ম পত্র)
অথবা (গণিত + ইংরেজি ২য় পত্র)
অথবা (ইংরেজি ১ম + ২য় পত্র)

৫,৫০০ টাকা/মাস

💰 সাশ্রয়: ২য় বিষয় মাত্র ২,৫০০ টাকা!
(আলাদা নিলে ৬,০০০ টাকা লাগতো)

🏆 সবচেয়ে লাভজনক!

🎁 ৩টি বিষয় একসাথে

গণিত + ইংরেজি ১ম পত্র + ইংরেজি ২য় পত্র

আলাদা আলাদা নিলে: ৩,০০০ + ৩,০০০ + ৩,০০০ = ৯,০০০ টাকা/মাস

২টি নিলেও: ৫,৫০০ + ৩,০০০ = ৮,৫০০ টাকা/মাস

মাত্র ৬,৮০০ টাকা/মাস

অর্থাৎ প্রতি সাবজেক্ট মাত্র ২,২৬৭ টাকা!

💰 প্রতি মাসে সাশ্রয়: ২,২০০ টাকা

🎯 ৩টি বিষয় নেওয়ার সুবিধা:

  • সবচেয়ে কম খরচ — ৩য় বিষয় মাত্র ১,৩০০ টাকা!
  • সম্পূর্ণ প্রস্তুতি — গণিত ও ইংরেজি দুটোতেই expert
  • প্রতি মাসে ২,২০০ টাকা সাশ্রয়
  • একই শিক্ষক, একই মান — সব বিষয়ে consistency

🎯 স্মার্ট সিদ্ধান্ত নিন!

৩ বিষয় + জানুয়ারি ১০ এর আগে ভর্তি = সর্বোচ্চ সাশ্রয়!
আপনার সন্তান ৩টি সাবজেক্টে expert হবে সবচেয়ে কম খরচে!

⚠️ বিশেষ জরুরি কথা

আপনার সন্তান যত তারিখ থেকে কোচিংয়ে ঢুকবে, ঠিক তত তারিখ থেকে বেতন হিসাব করে নেওয়া হবে। কোনো বাড়তি বেতন নেওয়া হবে না।

উদাহরণ: সন্তান ১০ তারিখ থেকে ঢুকলে, আমরা ঐ মাসে তার ২০ দিনের বেতন নিবো।
অর্থাৎ আপনি শুধুমাত্র যেদিন থেকে ক্লাস শুরু হবে সেদিন থেকে টাকা দিবেন — এক পয়সাও বেশি নয়!

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)

প্রশ্ন: যদি আমার সন্তান আপনার পড়া না বুঝে, তাহলে তো সমস্যা। তাই ২/৩ দিন ফ্রি ক্লাস করে দেখার সুযোগ হবে কি? +

উত্তর:

নিচের বাটনে টিপ দিয়ে ফেসবুকে সকল ছাত্র-ছাত্রীর নিজ হাতে দেওয়া মতামত পড়ুন। বুঝতে পারবেন আমরা কত ভালো পড়াই যে একজন দুর্বল বাচ্চাও সহজে বুঝতে পারে।

এখন শুনুন সত্যিটা: ২/৩ দিন ফ্রি ক্লাস একটা স্ক্যাম। প্রথম ২/৩ দিন আমরা খুব ভালো করে পড়াবো, তারপর বেতন নেওয়ার পর দেখবেন সিরিয়াসনেস কমে গেছে। এরকম অনেক জায়গায় হয়।

তাই আমি আপনাকে আরও বড় সুযোগ দিচ্ছি:

  • ✓ টাকা দিয়ে সন্তানকে ভর্তি করান
  • ✓ ২/৩ দিন না, বরং ২/৩ সপ্তাহ এমনকি প্রয়োজনে সম্পূর্ণ মাস ক্লাস দেখুন
  • ✓ যদি মনে হয় পড়া বুঝছে না, তাহলে ২/৩ দিন পর বা ১০ দিন পর বা ২/৩ সপ্তাহ পর (অর্থাৎ পুরো মাসের মধ্যে যখন ইচ্ছা) আমাদের ওয়েবসাইটে জানান
  • ✓ আপনার জানানোর ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আপনার ভর্তি ফি ও কোর্স ফি সম্পূর্ণ টাকা ফেরত দিয়ে দিবো

আমরা এত বড় কথা বলতে পারি কারণ নিজের পড়ানোর উপর আত্মবিশ্বাস আছে 😊

ক্লাসের সময়সূচী কেমন? +

সপ্তাহে ৩ দিন ক্লাস হয়:

ছেলেদের জন্য: শনিবার, সোমবার, বুধবার

  • দুপুর ১২:৩০ - ২:৩০
  • বিকাল ৪:০০ - ৬:০০
  • সন্ধ্যা ৬:০০ - ৮:০০

মেয়েদের জন্য: রবিবার, মঙ্গলবার, বৃহস্পতিবার (একই সময়)

ব্যাচ সাইজ কত? +

প্রতিটি ব্যাচে সর্বোচ্চ ১২ জন ছাত্র-ছাত্রী নেওয়া হয়। এতে প্রতিটি শিক্ষার্থীকে আলাদা মনোযোগ দেওয়া সম্ভব হয়।

গ্যারান্টি কীভাবে কাজ করে? +

শর্ত:

  • ৮০%+ হোমওয়ার্ক সম্পন্ন করতে হবে
  • ৮০%+ উপস্থিত থাকতে হবে
  • নিয়মিত ক্লাসে participation করতে হবে

গ্যারান্টি: গণিতে ৭০+ না পেলে সম্পূর্ণ টাকা ফেরত দেওয়া হবে।

চুক্তিপত্র: প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে আপনাকে একটি চুক্তিপত্র দেওয়া হবে যেখানে লেখা থাকবে যে, রেজাল্ট প্রকাশ হওয়ার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আপনার bKash/ব্যাংক একাউন্টে টাকা পৌঁছে যাবে যদি সন্তান ৭০+ না পায়।

প্রতিষ্ঠান কোথায়? +

সম্পূর্ণ ঠিকানা:

৩৩/১১, তাজমহল রোড, মোহাম্মদপুর, ঢাকা - ১২০৭

কীভাবে খুঁজে পাবেন:

কেন্দ্রীয় কলেজ থেকে ২ মিনিটের ব্যবধানে (কেন্দ্রীয় কলেজের সামনে এসে যে কাউকে জিজ্ঞেস করলেই হবে যে, "বঙ্গবন্ধু মাঠ" কোনদিকে। সেই মাঠের সাথেই আমাদের প্রতিষ্ঠান)

ঢাবি বৃত্তিপ্রাপ্তের গণিত প্রতিষ্ঠান- বিল্ডিং

↑ এই বিল্ডিংয়ে আমাদের প্রতিষ্ঠান অবস্থিত

বিল্ডিং এর ছবি দেখে সহজেই চিনতে পারবেন

🎯 এখনই ভর্তি হয়ে যান!

গতানুগতিক কোচিং নয় — ঢাবি বৃত্তিপ্রাপ্তের প্রাইভেট ব্যাচ!

সীমিত সিট — মাত্র ১২ জন করে নেওয়া হয়

আর মাত্র ৮টি সিট বাকি!

যোগাযোগ করুন

📱 মোবাইল: ০১৯৪৯-৭২৬৯৯২

📧 ইমেইল: mdsajid-22nd-2015412771@mgt.du.ac.bd

💬 WhatsApp: ০১৯৪৯-৭২৬৯৯২